পণ্য বিবরণী (Product Description):
খেজুর গাছের তাজা রস থেকে, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যসম্মত প্রক্রিয়ায় প্রস্তুত করা হয় আমাদের এই খেজুরের গুড়। রস সংগ্রহ থেকে শুরু করে গুড় তৈরি পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ HF Food Service-এর নিজস্ব তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়।
এতে এক ফোঁটাও চিনি, চুন, কেমিক্যাল বা প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয় না। ধীরে ধীরে জ্বাল দেওয়ার ফলে এই গুড়ে পাওয়া যায় খেজুরের রসের মিষ্টতা। হালকা ধোঁয়া, ঘ্রাণ আর স্বাভাবিক ক্যারামেলাইজড টেস্ট মিলিয়ে প্রতিটি চামচে অনুভব হয় একটা উষ্ণ, তৃপ্তিকর স্বাদ। যা পিঠা-পুলি, পায়েশ, মিষ্টিজাতীয় খাবার, চা কিংবা কফির সাথেও আলাদা আনন্দ এনে দেয়।
বৃহত্তর যশোরের চৌগাছা, কালিগঞ্জ, মহেশপুর, খালিশপুর ও চুয়াডাঙ্গার গ্রামীণ অঞ্চলে আমাদের নিজস্ব তত্ত্বাবধায়নে খেজুরের রস সংগ্রহ করে গুঁড় তৈরি করা হয়।
না। ৩ কেজি পাটালি গুড়ের প্যাকেজে ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি।
হ্যাঁ। ৩ কেজি পাটালি গুড়ের সাথে চালের গুঁড়া সম্পূর্ণ ফ্রি।
না। এতে এক ফোঁটাও চিনি, চুন, কেমিক্যাল বা প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয় না।
খেজুরের রসেই প্রাকৃতিক চিনি (Sucrose, Glucose, Fructose) থাকে। রস জ্বালানোর সময় সেই প্রাকৃতিক চিনি ক্যারামেলাইজ হয়ে গুড়ে রূপ নেয়, কোনো আলাদা চিনি যোগ করার প্রয়োজন হয় না।
৮–১০ লিটার রস থেকে মাত্র ১ কেজি গুড় তৈরি হয়। প্রতিটি গাছে রস সংগ্রহের পর কমপক্ষে ৩ দিন বিশ্রাম দেওয়া হয়। প্রতিবার রস সংগ্রহের পর ঠিলা সম্পূর্ণভাবে বিশুদ্ধ পানিতে ধুয়ে, রোদে শুকিয়ে, আগুনে পুড়িয়ে জীবাণুমুক্ত করা হয়। এরপর যত্ন সহকারে প্যাকেজিং করে ডেলিভারি উপযুক্ত করা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ ও কারিগরি দিক থেকে ব্যয়বহুল, তাই উৎপাদন কম হলেও মান সর্বোচ্চ থাকে।
না। গুড়ের রঙ ও ঘনত্ব সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক এবং মৌসুমভেদে ভিন্ন হতে পারে।
এটি কিছুটা শক্ত ও জমাট বাঁধানো অবস্থায় থাকে। দেখতে চাকতির মতো বা চারকোণা আকৃতির শক্ত ব্লক। মুখে দিলে ধীরে ধীরে গলে যায় এবং খেজুরের রসের আফটার টেস্ট দীর্ঘক্ষণ টিকে থাকে।
ভাপা পিঠা, পাটিসাপটা, চিতই, পুলি, পায়েস, ক্ষীর ও বিভিন্ন দেশি মিষ্টান্নে খুব ভালোভাবে ব্যবহার করা যায়।
সীমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে, কারণ গুড়ের মিষ্টি ভাব চিনির মতো খুবই দ্রুত সুগার স্পাইক করনা। তবে খাওয়ার পূর্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই উত্তম।
গুড় অবশ্যই ফ্রিজে সংরক্ষন করতে হবে। প্রয়োজন হলে এয়ারটাইট কন্টেইনারে সংরক্ষণ করা উত্তম।
এটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পণ্য, তাই মৌসুম ও রসের ঘনত্ব অনুযায়ী রঙে পার্থক্য দেখা যায়।
সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে (ফ্রিজে) ৮–১২ মাস পর্যন্ত স্বাদ ও মান ঠিক থাকে।


