খাঁটি ঘি চেনার জন্য নিচের বৈশিষ্ট্যগুলো লক্ষ্য করুন:
১. রঙ: খাঁটি ঘি সাধারণত সোনালি হলুদ রঙের হয়—না খুব ফ্যাকাশে, না খুব গাঢ়। কৃত্রিম ঘি অনেক সময় অতিরিক্ত সাদা বা অস্বাভাবিক উজ্জ্বল হয়।
২. ঘ্রাণ: খাঁটি গাওয়া ঘিতে থাকে দুধের সর জ্বাল দিয়ে তৈরি মোলায়েম ও মিষ্টি ঘ্রাণ। গরম করলে এই ঘ্রাণ বাড়ে, কমে না।
৩. স্বাদ: স্বাদ হয় মসৃণ, সুগন্ধি ও একদম ঘরে তৈরি ঘি’র মতো। কোনো তিতা বা রাসায়নিক স্বাদ থাকে না।
৪. টেক্সচার: ঠান্ডা হলে প্রাকৃতিক দানাদার টেক্সচার দেখা যায়—এটাই খাঁটি গাওয়া ঘি’র সবচেয়ে বড় পরিচয়।
৫. গরম করলে: খাঁটি ঘি স্বচ্ছভাবে গলে যায়, ধোঁয়া বা পোড়া গন্ধ হয় না।
আমাদের ঘি তৈরি হয় শাহজাদপুর এলাকার খাঁটি গরুর দুধের প্রাকৃতিক ক্রিম দিয়ে। প্রতিদিন প্রায় ৩৫–৪০ কেজি দুধ থেকে ক্রিম আলাদা করে ধীরে ধীরে জ্বাল দেওয়া হয়।
এই প্রক্রিয়ায় ঘিতে প্রাকৃতিকভাবে বাটারফ্যাট ও আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই এটি কিছুটা তেলতেলে মনে হতে পারে—এটি কোনো ত্রুটি নয়, বরং খাঁটি ঘি’র স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য।
আমাদের ঘি সম্পূর্ণ খাঁটি, পানি ও প্রিজারভেটিভমুক্ত। তাই ফ্রিজে রাখার প্রয়োজন নেই। ফ্রিজে রাখলে ঘির প্রাকৃতিক দানাদার গঠন নষ্ট হয়, ঘি শক্ত হয়ে যায় এবং ঘ্রাণও হালকা হয়ে যেতে পারে।
টুকটাক ঘি-এর প্রতিটি চামচে আছে শুধু স্বাদ নয়—আছে বিশ্বাস।
• ৩৫–৪০ কেজি দুধ লাগে ১ কেজি ঘি বানাতে
• হাতে, ধীরে ধীরে জ্বাল দিয়ে তৈরি করা হয়
• দানাদার টেক্সচার ও প্রাকৃতিক ঘ্রাণ বজায় থাকে
• কোনো প্রিজারভেটিভ, ফ্লেভার বা কেমিক্যাল নেই
• পরিবার-নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত ঘি নিশ্চিত করা হয়
আমরা সস্তার প্রতিযোগিতায় নেই—আমরা আস্থার প্রতিযোগিতায় আছি।
আমাদের ঘি তৈরি হয় খাঁটি গরুর দুধ থেকে সংগ্রহ করা প্রাকৃতিক ক্রিম (মালা) দিয়ে। দুধ জ্বাল দেওয়ার পর উপরে জমা ক্রিম আলাদা করে ধীরে ধীরে জ্বাল দিয়ে তৈরি করা হয় দানাদার ও সুগন্ধিযুক্ত গাওয়া ঘি।
আমাদের ঘি ১০০% খাঁটি এবং এতে কোনো কৃত্রিম ফ্লেভার নেই। তাই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রাকৃতিক ঘ্রাণ কিছুটা হালকা হওয়া স্বাভাবিক।
আলো, বাতাস বা ভেজা চামচের সংস্পর্শে এলে ঘ্রাণ দ্রুত কমতে পারে। তবে এতে ঘির মান বা পুষ্টিগুণ কমে না।
খাঁটি ঘি তাপমাত্রা সংবেদনশীল। রান্নার একদম শুরুতেই বা অতিরিক্ত গরম তেলে দিলে ঘ্রাণ উড়ে যেতে পারে। এছাড়া বেশি পেঁয়াজ, রসুন বা মসলা থাকলে ঘ্রাণ চাপা পড়ে যায়।
সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হলে ঘি সাধারণত ৩–৬ মাস পর্যন্ত ভালো থাকে। তাপ, আর্দ্রতা ও সরাসরি আলো থেকে দূরে রাখলে এর মান ও স্বাদ দীর্ঘদিন বজায় থাকে।










