“মায়ের রান্না শেষ হওয়ার আগে যে ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ত সারা বাড়িতে—সেই ঘ্রাণ এখন আপনি নিজের হাতে তৈরি করতে পারবেন।”
টুকটাক শাহী গরম মসলা তৈরি হয় ১৮–২০টি আসল ও দুষ্প্রাপ্য দেশি–বিদেশি মসলার সংমিশ্রণে। প্রতিটি উপাদান আলাদাভাবে হালকা ভেজে ঘরোয়া পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। কোনো কেমিক্যাল বা কৃত্রিম ফ্লেভার ব্যবহার করা হয় না। এই যত্ন ও বিশুদ্ধতাই এর দামের পিছনের মূল কারণ।
শাহী গরম মসলা একটি ফিনিশিং স্পাইস—অর্থাৎ রান্নার শেষে বা মাঝামাঝি দেওয়া হয় ঘ্রাণ ও স্বাদ বাড়ানোর জন্য। এটি আস্ত ও দামী মসলার মিশ্রণ। অন্যদিকে মাংসের মসলা মূলত বেস রান্নার জন্য, যেখানে আদা, রসুন, ধনে ইত্যাদির প্রাধান্য থাকে।
টুকটাক শাহী গরম মসলা দিয়ে গরু, খাসি, মুরগি, হাঁসের মাংস, কাবাব, কাচ্চি, রেজালা, হালিম ও বিরিয়ানিতে ব্যতিক্রমী স্বাদ আনা যায়।
আমাদের শাহী গরম মসলায় ব্যবহৃত হয়: সবুজ এলাচ, শাহী এলাচ, দারুচিনি, জয়ফল, জয়ত্রী, কাবাব চিনি, গোলমরিচ, শাহী সাদা মরিচ, লবঙ্গ, শাহি জিরা, তেজপাতা, ধনিয়া, জিরা, মিষ্টি জিরা, পোস্ত দানা, ভাজা জিরা এবং ৪ ধরনের সিক্রেট মশলা।
আমাদের শাহী মসলায় অনেক আস্ত মসলা ভেজে গুড়ো করা হয়। তাই সেগুলোর প্রাকৃতিক রঙ রান্নায় গাঢ় ভাব আনতে পারে। এটি স্বাভাবিক এবং স্বাদ বা ঘ্রাণে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলে না।
মসলা বেশি দিলে কিংবা অনেকক্ষণ রান্না করলে তিতা স্বাদ আসতে পারে। অনেক সময় পাতিলের পাশে লেগে মশলা পুড়েও যেতে পারে। তাই নির্দিষ্ট মাপে ব্যবহার করাটা গুরুত্বপূর্ণ—সাধারণত প্রতি ১ কেজি মাংসে ১–১.৫ টেবিল চামচ যথেষ্ট।
ঘ্রাণ কম পাওয়ার প্রধান কারণ হতে পারে মসলার সংরক্ষণ পদ্ধতি। প্যাকেট খোলার পর দীর্ঘদিন রেখে দিলে বাতাস ও আর্দ্রতায় ঘ্রাণ কমে যেতে পারে। এছাড়া রান্নায় কম মসলা দেওয়া, বেশি তাপমাত্রা বা সঠিক সময়ে মসলা না দিলেও ঘ্রাণ কম পাওয়া যেতে পারে।
সঠিকভাবে ঠান্ডা ও শুকনো স্থানে সংরক্ষণ করলে টুকটাক শাহী গরম মসলা প্রায় ১২ মাস পর্যন্ত ভালো থাকে। তবে খোলা প্যাকেট বেশি দিন রেখে দিলে ধীরে ধীরে ঘ্রাণ কমে যেতে পারে।

Green Cardamom (Sobuj Elach) 100g
Chilli (Morich) Powder 100g 




